জীবন গঢ়ার পরীক্ষায় শহরকে পিছিয়ে ফেলে এগিয়ে গ্ৰামাঞ্চল
গুয়াহাটী ব্যু’র : ঘোষণা করা হলো উচ্চতর মাধ্যমিক ফাইনাল পরীক্ষার ফল। এবারের পরীক্ষায় আৰ্টস, কমাৰ্স এবং সায়েন্স তিনটি বিভাগে বসেছিল রাজ্যের মোট ২,৫৪,৫৬৪ জন পড়ুয়া৷ এরই মধ্যে প্রায় ১.৯৫ লক্ষ কলা, প্রায় ৩৮ হাজার বিজ্ঞান এবং ১৮ হাজার বাণিজ্য শাখায় অৱতীর্ণ হয়েছিলো৷ জীবন গঢ়ার এই পরীক্ষার ফলাফলে শহর অঞ্চলকে পিছিয়ে ফেলে এগিয়ে আছে গ্ৰামাঞ্চল৷
কলা শাখার শীৰ্ষে স্থান পান নগাওয়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের সম্প্ৰীতি রাজখোৱা। ৪৮৭ নম্বর পেয়ে শীৰ্ষস্থান দখল করেন সম্প্ৰীতি। বিজ্ঞান শাখার শীৰ্ষে হোজাইয়ের আজমল কলেজের অমর সিং থাপা। ৪৮৬ নম্বর পেয়ে শীৰ্ষস্থান দখল করেন অমর সিং থাপা। এবং
বাণিজ্য শাখার শীৰ্ষে নগাওয়ের গীতাঞ্জলি জুনিয়র কলেজের রৌনক লোহিয়া। ৪৭৪ নম্বর পেয়ে শীৰ্ষস্থান দখল করেন রৌনক।
উচ্চতর মাধ্যমিকের ফাইনাল পৰীক্ষায় কলা শাখার দ্বিতীয় স্থানে নগাওয়ের কনসেপ্ট জুনিয়র কলেজের ত্ৰিদীপ বরা। ত্ৰিদীপের প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৮৫৷ ৪৮৪ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের ভনীতা রয়। ৪৮২ নম্বর পেয়ে চতুৰ্থ স্থানে একই কলেজের ঋতুপৰ্ণ কলিতা। পঞ্চম স্থানে যোরহাটের প্ৰাগজ্যোতিকা জুনিয়র কলেজের অনিন্দিতা নাথ। অনিন্দিতার প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৮১৷ ষষ্ঠ স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের হিয়াশ্ৰী চৌধুরী। সপ্তম স্থানে নগাওয়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের ত্ৰিপৰ্ণা বরা। ৪৭৮ নম্বর পেয়ে অষ্টম স্থানে একই কলেজের অংকিতা ছেত্ৰী। ৪৭৭ নম্বর পেয়ে নবম স্থানে লখিমপুরের লোহিত দিক্ৰং এইচ এস স্কুলের মানস প্রতিম শইকীয়া এবং বিশ্বনাথের ডাফনে জুনিয়র কলেজের অংকিতা হাজরিকা।৪৭৬ নম্বর পেয়ে দশম স্থানে গোলাঘাট জাতীয় মহাবিদ্যালয়ের সঞ্চিতা শইকীয়া, টীয়ক রাজাবারা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের রাহুল দাস এবং চামতা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের পম্পী বৰ্মন।
এদিকে বিজ্ঞান শাখার দ্বিতীয় স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের নীহারিকা গোস্বামী। নাহারিকার প্ৰাপ্তন নম্বর মোট ৪৮৩৷ ৪৮০ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের ভাস্করজ্যোতি কলিতা এবং দরং কলেজের মৃণালজ্যোতি পৌড়েল। চতুৰ্থ স্থানে বরপেটার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের ভাস্বতী কলিতা এবং কাছারের ৰামানুজ গুপ্তা জুনিয়র কলেজের পৃথ্বিরাজ দে’। তাদের প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৭৯৷ ৪৭৭ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থানে যোরহাটের প্রজ্ঞা একাডেমী জুনিয়র কলেজের সুদৰ্শন সিং সন্ধু। ষষ্ঠ স্থানেত ডিব্ৰুগড় সরকারি বালিকা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের অন্তরা ফুকন। অন্তরার প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৭৬৷ ৪৭৪ নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থানে গোলাঘাটের রেডিয়াণ্ট কলেজের অভিজ্ঞান শৰ্মা গগৈ, যোরহাটের প্ৰজ্ঞা একাডেমী জুনিয়র কলেজের প্ৰজ্ঞা প্ৰিয়া বরা, নগাওয়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের মৃণ্ময় দাস এবং শিবসাগর জুনিয়র কলেজsর রমিন গগৈ। ৪৭৩ নম্বর পেয়ে অষ্টম স্থানে দখল করেছে গোলাঘাটের রেডিয়াণ্ট কলেজের অভিপ্সা ফুকন এবং করিমগঞ্জের এছ ভি বিদ্যা নিকেতনের সাকিল আখতার।৪৭২ নম্বর নবম স্থানে ডিব্ৰুগড় সরকারি বালিকা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের স্বাগত গগৈ। ৪৭১ নম্বর পেয়ে দশম স্থানে বরপেটার আনন্দরাম বরুয়া একাডেমির ফারদিন রফিক, গুয়াহাটি কটন কলেজের উজ্জাবল জৈন, নলবারীর শংকরদেব একাডেমির আসমা য়াছমিন, উত্তর লখিমপুর কলেজের জ্যোতিৰ্ময় দত্ত এবং নগায়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের ঋত্বিকা কুমারী সিং।
বাণিজ্য শাখার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন ডিব্ৰুগড়র ছল্ট ব্ৰুক একাডেমির দীক্ষিতা বরুয়া। দীক্ষিতার প্ৰাপ্ত নম্বর মোট ৪৭১৷ ৪৬৪ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে ডিব্ৰুগড়র জ্ঞান বিজ্ঞান একাডেমির শ্বেতা দাস। ৪৬৪ নম্বর পেয়ে চতুৰ্থ স্থানে নগাঁও গীতাঞ্জলি জুনিয়র কলেজের রাধিকা আগরয়াল এবং দরং কলেজের সাক্ষী সিং। পঞ্চম স্থানে ওদালগুরির নেসনাল পায়’নিয়ার জুনিয়র কলেজের মোহন প্ৰধানে। ৪৬১ নম্বর পেয়েছন মোহন প্ৰধান। ষষ্ঠ স্থানে কাছারের ৰামানুজ গুপ্তা জুনিয়র কলেজের সয়ন পাল এবং ওদালগুরির নেসনাল পায়’নিয়ার জুনিয়র কলেজের বিধি বেরিয়া। তাদেৰ প্ৰাপ্ত নম্বর মোট ৪৬০৷ ৪৫৯ নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থানে কাছারের ৰামানুজ গুপ্তা জুনিয়র কলেজের কুন্তলা গুপ্তা। অষ্টম স্থান অধিকার করেছে ডিব্ৰুগড়র ছল্ট ব্ৰুক একাডেমীর অভিভাবন হাজরিকা, হাইলাকান্দি জুনিয়র সায়েন্স কলেজের য়শ সারদা এবং নগাওয়ের গীতাঞ্জলি জুনিয়র কলেজের চিংকী চেতিয়া। তাদের মোট প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৫৮৷ ৪৫৭ নম্বর পেয়ে নৱম স্থানে গুয়াহাটী কমাৰ্স কলেজের প্ৰতীক্ষা বচ্যাস এবং তিনিসুকিয়ার মাৰ্ঘেরিটা কলেজের বিশাল দেবনাথ। ৪৫৬ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করেছে দরঙের ব্ৰিলিয়েণ্ট একাডেমীর পল্লবী দাস, গুয়াহাটী কমাৰ্স কলেজের মৃত্ৰিকা নাথ এবং হোজায়ের শংকরদেব জুনিয়র কলেজের অক্ষত চাওচারিয়া।
0 comments: