Showing posts with label Assam. Show all posts
Showing posts with label Assam. Show all posts
এনআরসি:অ-সম ভূমিতে মৃত্যুর মিছিলের নবীনতম আক্রান্ত ৯৫ বছরের বৃদ্ধ

এনআরসি:অ-সম ভূমিতে মৃত্যুর মিছিলের নবীনতম আক্রান্ত ৯৫ বছরের বৃদ্ধ

পারিজাত এন. ঘোষ: ১৯৫১র এনআরসি থাকা সত্ত্বেও ৯৫ বছরের বৃদ্ধাকে বিষপান করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হলো!

বার বার নাগরিকত্বের নামে হয়রানী!বার বার হিয়াংরি!যন্ত্রণা ৪ ডির! আর্থিক, শারীরিক ভাবে দুর্বল বৃদ্ধা এই চাপে ক্রমেই ভারাক্রান্ত!  বার বার হিয়ারিং করার পরও আবার ডাকা হলো বায়োমেট্রিক টেষ্টে!
১৯৫১ সনের রাষ্ট্রীয় নাগরিক পঞ্জী( NRC) সহ সমস্থ ভারতীয় নথীপত্র থাকা সত্ত্বেও ৯৫ বছরের এই বৃদ্ধা শারীরিক,আর্থিক, মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে জীবন যুদ্ধে হার মানলো!

সে বিদেশী না,বাংলাদেশী না!এ দেশের একজন নাগরিক!স্বদেশ ছেড়ে যাবেই বা কোথায়?
জীবনের অন্তিম পর্যায়ে স্বদেশের মাটিতেই যাতে তার কবর দেওয়া হয়,সে আশাতেই এতদিন নাগরিকত্বের পরীক্ষা দেবার জন্য দিনের পর দিন কষ্ট করেছেন!

কিন্তু আসামের বকোর এই ৯৫ বছরের বৃদ্ধা খুব ক্লান্ত! ক্লান্ত এই অসভ্য সমাজ ব্যাবস্থা ও অমানবীয়,অগণতান্ত্রীক,অসংবিধানিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কাছে!

চোখের ঘুম,মুখের খাবার কেড়ে নেওয়া শাসন ব্যবস্থায় ক্লান্ত আশ্রাফ আলীর এক দীর্ঘ বিশ্রামের প্রয়োজন ছিলো!
অবশেষে বিষ পান করেই ফেললো!

এখন সে চির নিদ্রায় নিদ্রিত!

আজ আর বৃদ্ধাকে কোনো পরীক্ষা দিতে হবেনা!
কেউ সন্দেহ করতে পারবেনা!
আর হিয়ারিংএ যেতে হবেনা!
কোনো দেশপ্রেমী বা জাতিপ্রেমীকে আজ থেকে তার আর পরোয়া করতে হবেনা!
এদেশ তাকে ঠাই দেবার প্রয়োজন নেই!আজ থেকে আশ্রাফ আলী সেই দেশের বাসিন্দা যেখানে ইতিমধ্যে সুব্রত দে,জুব্বার আলী,অমৃত দাস ও অন্যান্যরা আছেন!
জুব্বার সেও এনআরসি হীন,জাতিপ্রেম হীন,দেশপ্রেমীহীন দেশের "শান্তি" গ্রামের ৪৭ নং বাসিন্দা! যেখানে হিংসপ্রানীর কোনো জায়গা নেই!

এই মৃত্যুমিছিলে জানি কারো যায় আসেনা!আমাদের লেখা মেলা,সভা,আন্দোলন,ধিক্কার,প্রেসমিট ওসবেও কিছু যায় আসেনা!

এদের জন্য কেউ এয়োয়ার্ড ঘুরিয়ে দেবেনা!অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা বাঘা বাঘা প্রগতিশীল(!) বন্ধুরাও আজ জাতীয় চেতনায় ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায়!নইলে কেবে যতটা মাথা ঘামায় এখানে কেন ততটা না?
আর। ফেডারেশন,আমছু সহ জাতীয় সংগঠন গুলো বারংবার আহাবান করা সত্ত্বেও কোনো মতেই এক হচ্ছেনা!সংগ্রাম করছে কিন্তু ৪২টা ভাগে বিভক্ত হয়ে!বিজনী,বড়পেটা ও অন্যান্য ছোটো ছোটো অঞ্চলে ঐক্যবদ্ধ হলেও আসাম ব্যাপী কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা এ ক্ষেত্র উদাশীন!
অসমীয়া সীমিত সংখ্যক প্রগতিশীল লোক এ কাজকে পছন্দ করছেনা যদিও তারাও স্বতস্ফুর্তভাবে প্রতিবাদে আসছেনা!

সরকার,বিরোধী, সংবাদ মাধ্যম এমনকি ন্যায়ালয়ের ওপরও মানুষ আস্থাহীন হয়ে পড়েছে!

আর যন্ত্রণা কত?
কবে হবে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ-প্রতিরোধ?
স্থায়ী সমাধান?
কবে বাধ্য হবে দিছপুর-দিল্লি?

কতদিন চলবে এই মৃত্যুমিছিল?

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত পাঁচজন মহিলাকে সম্মানিত করল প্রজেক্সেল ফাউন্ডেশন

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত পাঁচজন মহিলাকে সম্মানিত করল প্রজেক্সেল ফাউন্ডেশন

গুয়াহাটি : প্রতি বছর ৮ই মার্চ তারিখে পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের এক -এক প্রান্তে নারী দিবসের উদযাপনে প্রধান লক্ষ্য একেক রকম হয়। কোথাও নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধা উদযাপনের মুখ্য বিষয় হয়।আর কোথাও মহিলাদের আর্থিক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠাতা বেশি গুরুত্ব পায় ।বর্তমান সময়ে সারা পৃথিবীতে মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে যদিও এখনো বেশিরভাগ দেশে সমাজব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক। যেখানে রানী স্বাধীনতা একবারই অবহেলিত।এই অবস্থায় নারী দিবসের দিনগুলি নারীর অধিকার রক্ষার একটা প্রতীক হিসেবে ভাবা হয়। শুধু এই দিনটি উদযাপনের মধ্য দিয়েই নয় সমাজ ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে তবেই নারী অধিকার কে নিশ্চিত করা হয়তো সম্ভব।


আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রজেক্সেল ফাউন্ডেশন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রবিবার সাউথ পয়েন্ট স্কুলের প্রেক্ষাগৃহে পালন করে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস। এবারের মহিলা দিবসের থিম ছিল ব্যালেন্স ফর বেটার।আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসের সাথে সংগতি রেখে প্রজেক্সেল ফাউন্ডেশন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ৫ জন মহিলাকে সম্মানিত করেন।


প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভরাম্ভ করেন এই অনুষ্ঠানের মুখ্য অথিতি সুনিতা অধিকারী, ও নিবেদিতা তরফদার ,লিপিকা।সিংহ, ও রাজীব বণিকের সাথে উপস্থিত অনেক গণ্যমান্য অনেক ব্যক্তিরা।এই অনুষ্ঠানে প্রজেক্সেল ফাউন্ডেশন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত মহিলাদের প্রদান করেন প্রজেক্সেল এয়ার্ড ২০১৯।এই এয়ার্ড প্ৰদান করা হয় দীপান্বিতা মুখার্জি খান,(সাহিত্যিক),নিবেদিতা চন্দ (শিক্ষিকা)।দেবযানী পাটিকার (সাংবাদিক),আশা কাকবানী( উদ্যোক্তা,) ভাষা ও সঙ্গীতা চৌধুরি (প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া)। অনুষ্ঠানের নৃত্য প্রদর্শন করেন প্রিয়াঙ্কা পালিত নন্দী, পারিজাত বিশ্বাস,প্রাদান্য রায় ও সংগীতা গ্রুপ। সংগীত পরিবেশন করেন সোমা পুরকায়স্থ,তার সাথে সঙ্গত করেন তার মেয়ে জাগৃতি পুরকায়স্থ।অনুষ্ঠানে প্ৰজেক্সেল ফাউন্ডেশনে ফাউন্ডার সীমা পুরকায়স্থ রায় এ প্রসঙ্গে বলেন সমাজে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা ছাড়া মহিলা সরলীকরণ, মহিলাদের অধিকার, ও সমঅধিকার রক্ষা করার জন্য প্রজেক্সেল ফাউন্ডেশন আগামী ভবিষ্যতেও বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে কাজ করবেন। মহিলা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী প্রতিযোগীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
শিক্ষক তথা সমাজকর্মী জ্যোতির্ময় ঘোষাল-এর প্রয়ানে স্মরন সভা

শিক্ষক তথা সমাজকর্মী জ্যোতির্ময় ঘোষাল-এর প্রয়ানে স্মরন সভা


জয়শ্ৰী আচাৰ্য, লামডিং: 
লামডিং রেলওয়ে হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক তথা সমাজকর্মী জ্যোতির্ময় ঘোষাল-এর প্রয়ানে মর্মাহত সহকর্মী এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে এক স্মরন সভা আয়োজিত হয়। 
গত ৯ ই জুন স্থানীয় আজাদ হিন্দ পাবলিক লাইব্রেরী প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত স্মরনসভায় জ্যোতির্ময় ঘোষাল-এর প্রতিকৃতির সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রেলওয়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রীগন। প্রাক্তন ছাত্র কনক চক্রবর্তীর স্বাগত ভাষনের পর কবিগুরুর 'পুরানো সেই দিনের কথা' গানটি সমবেত কন্ঠে পরিবেশন করেন শিক্ষবিদ তথা জ্যোতির্ময় ঘোষালের সহকর্মী সন্তোষ সেনগুপ্ত এবং প্রাক্তন ছাত্র=ছাত্রীবৃন্দ। 
জ্যোতির্ময় ঘোষাল-এর কর্মজীবন এবং আদর্শ নিয়ে স্মৃতিচারনে অংশ নেন রেলওয়ে স্কুলের অধ্যক্ষ বোরহান আলি, সন্তোস সেনগুপ্ত, নেপাল দাস, সদাগর মজুমদার, নির্ম্যল্য সাহা এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রীগন। এছারা ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে স্মৃতিচারন করেন মৃদুল কান্তি মালাকার, বুল্টি ঘোষ, তুহিনাংশু চৌধুরী বিপ্লব দে এবং অন্যান্যরা। 
অনুষ্ঠানে জ্যোতির্ময় ঘোষাল-এর স্মরনে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কনক চক্রবর্তী। স্মরনসভার আয়োজকদের মধ্যে ছিলেন কনক চক্রবর্তী, রাকেশ রায়, তন্ময় দেব, দেবাশিষ সরকার, বাপ্পা দে, সৌমিত্র দাস, বিপ্লব দে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং সঞ্চালন করেন রেলওয়ে স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র তথা শিক্ষক সুব্রত ভট্টাচার্য।
উচ্চতর মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা : শীৰ্ষস্থানে সম্প্ৰীতি, অমর এবং রৌনক

উচ্চতর মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা : শীৰ্ষস্থানে সম্প্ৰীতি, অমর এবং রৌনক


জীবন গঢ়ার পরীক্ষায় শহরকে পিছিয়ে ফেলে এগিয়ে গ্ৰামাঞ্চল 

গুয়াহাটী ব্যু’র : ঘোষণা করা হলো উচ্চতর মাধ্যমিক ফাইনাল পরীক্ষার ফল। এবারের পরীক্ষায় আৰ্টস, কমাৰ্স এবং সায়েন্স তিনটি বিভাগে বসেছিল রাজ্যের মোট ২,৫৪,৫৬৪ জন পড়ুয়া৷ এরই মধ্যে প্রায় ১.৯৫ লক্ষ কলা, প্রায় ৩৮ হাজার বিজ্ঞান এবং ১৮ হাজার বাণিজ্য শাখায় অৱতীর্ণ হয়েছিলো৷ জীবন গঢ়ার এই পরীক্ষার ফলাফলে শহর অঞ্চলকে পিছিয়ে ফেলে এগিয়ে আছে গ্ৰামাঞ্চল৷ 
কলা শাখার শীৰ্ষে স্থান পান নগাওয়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের সম্প্ৰীতি রাজখোৱা। ৪৮৭ নম্বর পেয়ে শীৰ্ষস্থান দখল করেন সম্প্ৰীতি। বিজ্ঞান শাখার শীৰ্ষে হোজাইয়ের আজমল কলেজের অমর সিং থাপা। ৪৮৬ নম্বর পেয়ে শীৰ্ষস্থান দখল করেন অমর সিং থাপা। এবং বাণিজ্য শাখার শীৰ্ষে নগাওয়ের গীতাঞ্জলি জুনিয়র কলেজের রৌনক লোহিয়া। ৪৭৪ নম্বর পেয়ে শীৰ্ষস্থান দখল করেন রৌনক। 
উচ্চতর মাধ্যমিকের ফাইনাল পৰীক্ষায় কলা শাখার দ্বিতীয় স্থানে নগাওয়ের কনসেপ্ট জুনিয়র কলেজের ত্ৰিদীপ বরা। ত্ৰিদীপের প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৮৫৷ ৪৮৪ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের ভনীতা রয়। ৪৮২ নম্বর পেয়ে চতুৰ্থ স্থানে একই কলেজের ঋতুপৰ্ণ কলিতা। পঞ্চম স্থানে যোরহাটের প্ৰাগজ্যোতিকা জুনিয়র কলেজের অনিন্দিতা নাথ। অনিন্দিতার প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৮১৷ ষষ্ঠ স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের হিয়াশ্ৰী চৌধুরী। সপ্তম স্থানে নগাওয়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের ত্ৰিপৰ্ণা বরা। ৪৭৮ নম্বর পেয়ে অষ্টম স্থানে একই কলেজের অংকিতা ছেত্ৰী। ৪৭৭ নম্বর পেয়ে নবম স্থানে লখিমপুরের লোহিত দিক্ৰং এইচ এস স্কুলের মানস প্রতিম শইকীয়া এবং বিশ্বনাথের ডাফনে জুনিয়র কলেজের অংকিতা হাজরিকা।৪৭৬ নম্বর পেয়ে দশম স্থানে গোলাঘাট জাতীয় মহাবিদ্যালয়ের সঞ্চিতা শইকীয়া, টীয়ক রাজাবারা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের রাহুল দাস এবং চামতা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের পম্পী বৰ্মন। 
এদিকে বিজ্ঞান শাখার দ্বিতীয় স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের নীহারিকা গোস্বামী। নাহারিকার প্ৰাপ্তন নম্বর মোট ৪৮৩৷ ৪৮০ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে বরপেটা জেলার পাঠশালার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের ভাস্করজ্যোতি কলিতা এবং দরং কলেজের মৃণালজ্যোতি পৌড়েল। চতুৰ্থ স্থানে বরপেটার কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ জুনিয়র কলেজের ভাস্বতী কলিতা এবং কাছারের ৰামানুজ গুপ্তা জুনিয়র কলেজের পৃথ্বিরাজ দে’। তাদের প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৭৯৷ ৪৭৭ নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থানে যোরহাটের প্রজ্ঞা একাডেমী জুনিয়র কলেজের সুদৰ্শন সিং সন্ধু। ষষ্ঠ স্থানেত ডিব্ৰুগড় সরকারি বালিকা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের অন্তরা ফুকন। অন্তরার প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৭৬৷ ৪৭৪ নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থানে গোলাঘাটের রেডিয়াণ্ট কলেজের অভিজ্ঞান শৰ্মা গগৈ, যোরহাটের প্ৰজ্ঞা একাডেমী জুনিয়র কলেজের প্ৰজ্ঞা প্ৰিয়া বরা, নগাওয়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের মৃণ্ময় দাস এবং শিবসাগর জুনিয়র কলেজsর রমিন গগৈ। ৪৭৩ নম্বর পেয়ে অষ্টম স্থানে দখল করেছে গোলাঘাটের রেডিয়াণ্ট কলেজের অভিপ্সা ফুকন এবং করিমগঞ্জের এছ ভি বিদ্যা নিকেতনের সাকিল আখতার।৪৭২ নম্বর নবম স্থানে ডিব্ৰুগড় সরকারি বালিকা উঃ মাঃ বিদ্যালয়ের স্বাগত গগৈ। ৪৭১ নম্বর পেয়ে দশম স্থানে বরপেটার আনন্দরাম বরুয়া একাডেমির ফারদিন রফিক, গুয়াহাটি কটন কলেজের উজ্জাবল জৈন, নলবারীর শংকরদেব একাডেমির আসমা য়াছমিন, উত্তর লখিমপুর কলেজের জ্যোতিৰ্ময় দত্ত এবং নগায়ের রামানুজন জুনিয়র কলেজের ঋত্বিকা কুমারী সিং। 
বাণিজ্য শাখার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন ডিব্ৰুগড়র ছল্ট ব্ৰুক একাডেমির দীক্ষিতা বরুয়া। দীক্ষিতার প্ৰাপ্ত নম্বর মোট ৪৭১৷ ৪৬৪ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে ডিব্ৰুগড়র জ্ঞান বিজ্ঞান একাডেমির শ্বেতা দাস। ৪৬৪ নম্বর পেয়ে চতুৰ্থ স্থানে নগাঁও গীতাঞ্জলি জুনিয়র কলেজের রাধিকা আগরয়াল এবং দরং কলেজের সাক্ষী সিং। পঞ্চম স্থানে ওদালগুরির নেসনাল পায়’নিয়ার জুনিয়র কলেজের মোহন প্ৰধানে। ৪৬১ নম্বর পেয়েছন মোহন প্ৰধান। ষষ্ঠ স্থানে কাছারের ৰামানুজ গুপ্তা জুনিয়র কলেজের সয়ন পাল এবং ওদালগুরির নেসনাল পায়’নিয়ার জুনিয়র কলেজের বিধি বেরিয়া। তাদেৰ প্ৰাপ্ত নম্বর মোট ৪৬০৷ ৪৫৯ নম্বর পেয়ে সপ্তম স্থানে কাছারের ৰামানুজ গুপ্তা জুনিয়র কলেজের কুন্তলা গুপ্তা। অষ্টম স্থান অধিকার করেছে ডিব্ৰুগড়র ছল্ট ব্ৰুক একাডেমীর অভিভাবন হাজরিকা, হাইলাকান্দি জুনিয়র সায়েন্স কলেজের য়শ সারদা এবং নগাওয়ের গীতাঞ্জলি জুনিয়র কলেজের চিংকী চেতিয়া। তাদের মোট প্ৰাপ্ত নম্বর ৪৫৮৷ ৪৫৭ নম্বর পেয়ে নৱম স্থানে গুয়াহাটী কমাৰ্স কলেজের প্ৰতীক্ষা বচ্যাস এবং তিনিসুকিয়ার মাৰ্ঘেরিটা কলেজের বিশাল দেবনাথ। ৪৫৬ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করেছে দরঙের ব্ৰিলিয়েণ্ট একাডেমীর পল্লবী দাস, গুয়াহাটী কমাৰ্স কলেজের মৃত্ৰিকা নাথ এবং হোজায়ের শংকরদেব জুনিয়র কলেজের অক্ষত চাওচারিয়া।
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে অভিযােগ বিজেপি বিধায়কের, অস্বীকার রঞ্জিত দাসের

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে অভিযােগ বিজেপি বিধায়কের, অস্বীকার রঞ্জিত দাসের

গুয়াহাটি : নাগরিকত্ব সংশােধনী বিল নিয়ে রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ মিছিল আন্দোলন অব্যাহত আছে। আসুর নেতৃত্বে আজ রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হয় মরিয়নি, কামরূপ, ঢেকিয়াজুলি, গহপুর, তেজপুর, গােলাঘাট, টিয়ক, ধানশিরি প্রভৃতি অঞ্চলে। বিলটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন হয়। আসুর সঙ্গে আইনজীবিদের এক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। আসুর উপদেষ্টা সমুজ্জ্বল ভট্টাচার্য বিলটির কোনও পর্যায়ে গ্রহণ করা হবে না বলে, রাজ্য সরাকারকে সতর্ক করেন। এই বিলটি এবং অন্যান্য ব্যাপারে রাজ্যের বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সােনােয়াল এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস এক বৈঠকে বসেছিলেন। এই বৈঠকের পর পঞ্চায়েত মন্ত্রী নব দলে জানিয়েছেন, এন আর সির চুড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশের পর রাজ্য সরকার নাগরিকত্ব বিলটি সম্পর্কে তাদের স্থিতি জানাবে। 
নাগরিকত্ব বিল নিয়ে সরকারে অন্দর মহলে এবং বিজেপি দলের মধ্যে মতানৈক্যের সৃষ্টি হয়েছেবলে দলের মধ্যেই অভিযােগ উঠেছে। এক বৃহৎ সংখ্যক বিজেপি কর্মী বিলটির প্রকাশ্যে বিরােধীতা না করলেও অন্দর মহলে বিলটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু সংঘ পরিবার বিলটির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। এই বিলটি নিয়ে বিজেপি বিধায়ক ঋতুপর্ণ বরুয়া গুরুতর অভিযােগ করে বলেছেন—“মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সােনােয়ালের ভাবমূর্তিতে কালিমা লিপ্ত করার জন্য গােলাঘাট থেকে উজনি অসম পর্যন্ত গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, এর পিছনে টাকার খেলাও চলছে।
রাজ্য বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস এই অভিযােগনস্যাৎকরে বলেছেন, বিধায়ক বরুয়া ব্যক্তিগত মন্তব্য করেছে, দলের মন্তব্য নয়। দৃঢ়তার সঙ্গে তিনি জানান— মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সােনােয়ালের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার কোনও ষড়যন্ত্র হয়নি। বিজেপি বিধায়ক মৃণাল শইকীয়া ঋতুপর্ণ বরুয়াকে চ্যালঞ্জ করে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যতি সত্যি কোনও ষড়যন্ত্র হয়ে থাকে তবে প্রকাশ্যে বলুন, তবে দল ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ আজ সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে বলেছেন- হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সােনােয়ালের ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়েছে। রাজ্য যেন গৃহ যুদ্ধ চলছে।