ওয়েব সংবাদ: ৭২তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সেল। এই সেল শুরু হবে ১০ আগস্ট থেকে। চলবে ৭২ ঘণ্টার জন্য, ১২ আগস্ট পর্যন্ত। যদিও কী কী ‘অফার’ দেওয়া হবে, সেটা এখনও জানানো হয়নি। তবে ফ্লিপকার্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের সেলে যে সমস্ত ‘অফার’ দেওয়া হবে, সেটা অতীতের সমস্ত অফারকে ছাপিয়ে যাবে। ছাড়ের পাশাপাশি দেওয়া হবে ‘ক্যাশব্যাক’ এবং ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’–এর ‘অফার’–ও। সূত্রের খবর, সবথেকে বেশি ছাড় দেওয়া হবে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, টিভির মতো বৈদ্যুতিন পণ্যের ওপরে। পিছিয়ে নেই আর এক জনপ্রিয় ই–কমার্স ওয়েবসাইট ‘অ্যামাজন’–ও। তারাও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেল দেবে। তাদের সেলের সময়ও ওই একই। সবথেকে বেশি বিক্রি হতে পারে জিওমি, স্যামসাং, অ্যাপলের মতো সংস্থার মোবাইল ফোনগুলি।
Showing posts with label Business. Show all posts
Showing posts with label Business. Show all posts
প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশাই সার, সুইস ব্যাঙ্কে ৫০ শতাংশ বাড়ল ভারতীয়দের টাকার পরিমাণ
ওয়েব সংবাদ : ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিকবার বিদেশে গচ্ছিত কালো টাকা দেশে ফেরানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপির অন্যান্য নেতা–মন্ত্রীদের বক্তৃতাতেও। কিন্তু সেসবই যে শুধু কথার কথা, আবারও তা প্রমাণিত হল। সম্প্রতি সুইস ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৬ সালে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ যেখানে ছিল ৪৫০০ কোটি টাকা। সেখানে ২০১৭ সালে জমা টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি সুইস ফ্রাঁ অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭০০০ কোটি টাকা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ওই বছরে সুইস ব্যাঙ্কে মোট জমা টাকার পরিমাণ কিন্তু বেড়েছে মাত্র ৩ শতাংশ।
১৯৮৭ সাল থেকেই এই রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে সুইস ব্যাঙ্ক। আর ২০১৬ সালে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে কম। কিন্তু হঠাৎ করে কীভাবে সেই জমা টাকার পরিমাণ বেড়ে গেল? তাই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এর আগে ২০০৬ সালে ভারতীয়রা সবচেয়ে বেশি টাকা জমা রেখেছিল সুইস ব্যাঙ্কে। যার পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে সেই টাকার পরিমাণ। কিন্তু আবারও সেটা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিন্তিত কেন্দ্রীয়। এদিকে এই খবর সামনে আসার পরই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূশ গোয়েল। জানিয়েছেন ২০১৯ সালের মধ্যে সুইস ব্যাঙ্কে রাখা সমস্ত কালো টাকা উদ্ধার করবে কেন্দ্র। তিনি বলেন, ‘নয়া চুক্তি অনুযায়ী ২০১৮ সালের পরই যাবতীয় কালো টাকা সংক্রান্ত তথ্য ভারত সরকারের হাতে তুলে দেবে সুইস ব্যাঙ্ক। যাঁদের দোষ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অনগ্রসর অসমে ৬৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়ােগ, রাজ্যে সরকারের উচ্ছাস প্রকাশ
ব্ৰহ্মপুত্রবরাক নদীতে সি প্লেন, রিভার ট্যাক্সি চলবে
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি :
সৰ্বানন্দ সনােয়াল নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট সরকার দিশপুরে ক্ষমতাসীন হয়েই অসমকে সার্বিকভাৱে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে নিরলসভাৱে চেষ্টা চালিয়ে গেছে, তারই ফলশ্রুতি ‘অ্যাভান্টেজ অসম’– বিশ্ব শিল্প বিনিয়ােগ সন্মেলন। পশ্চাদপদ, অনগ্রসর অসম তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত করার এই প্রথম সুযােগ এল। তার পুরাে কৃতিত্ব দাবী করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী সৰ্বানন্দ সনােয়াল, অৱশ্যই সৌজন্যে প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদি দুদিন ব্যাপী বিশ্ব বিনিয়ােগ শিল্প সন্মেলন ব্যাপক ভাবে সফলতা লাভ করেছে। দুদিনে দেশ বিদেশের অগ্ৰনী শিল্পপতিরা অসমের প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ প্রকাশ করে কোটি কোটি টাকা বিনিয়ােগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দুদিনে প্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকার ১৭০টি সমঝােতা চুক্তি (মৌ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা আজ সমঝােতা চুক্তির বহর দেখে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন।
এই প্রথম অসমের বাঁশ সম্পদকে শিল্প হিসাবে গণ্য করে কয়েকটি সংস্থা কয়েক শ কোটি টাকার ৪টি সমঝােতা চুক্তি করেছে বলে জানালেন বনমন্ত্রী প্রমিলা রাণী ব্ৰহ্ম। স্পাইস জেট কোম্পানী ব্রহ্মপুত্র নদে সি প্লেন চালাবার সিদ্ধান্ত ঘােষণা করেছে, জলে-স্থলে চলবে এই প্লেন। লণ্ডনের মেরিন টাইম নামে এক কোম্পানীও ব্রহ্মপুত্র নদে রিভার ট্যাক্সি চালাবার কথা আজ ঘােষণা করেছে। রিভাৰ ট্যাক্সিও জলে স্থলে চলবে এমনকি রাত্রেও চালানাে যাবে বলে কোম্পানীটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। উভচর জলযান চালানাে হলে বরাক-ব্ৰহ্মপুত্ৰ নদী সদ্ব্যৱহার হবে।
কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ গুয়াহাটী উপকণ্ঠ পলাশবাড়ীকে টেকনােসিটি হিসাবে গড়ে তােলার সিদ্ধান্ত ঘােষণা করেছেন৷ তিনি জানান— এই টেকনােসিটি নির্মাণের জন্যে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। কেন্দ্ৰীয় মন্ত্রী জানান শিলচর, ডিফু, কোকারাঝাড়, মাজুলি এবং নগাঁওতে বি পি ও স্থাপন করা হবে।
বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ৪ হাজার কোটি টাকার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। অসম থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ কিনবে, এবং বাংলাদেশ সরকার অসমে জামদানী শাড়ী, শুকনাে মাছ, রাসায়নিক সার এবং প্লাষ্টিক সামগ্রী পাঠাবে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে অসমের সংযােগ স্থাপন করে জাহাজ চালানােরাে বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানালেন গুয়াহাটীস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনার কাজী মােস্তাসির মুৰ্শেদ৷ তিনি জানান, ভুটান সরকারের সঙ্গেও এক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে বাংলাদেশের কাছ থেকে ভুটান সরকার ঔষধ আমদানী করবে।
জলসম্পদ মন্ত্রী কেশৱ মহন্ত জানান আই টি সেক্টরে প্রায় হাজার কোটি টাকার ৩২ টি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। পরিবহন বিভাগের উন্নয়নের লক্ষ্যে কয়েকটি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। পর্যটন নিগমের চেয়ারম্যন জয়ন্ত মল্ল বরুয়া জানান— কাজিৰঙা রাষ্ট্ৰীয় উদ্যানকে ‘আইকোনিক প্লেস’ হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে, যা এক বিরল সম্মান।
টাটা কোম্পানি অসমের স্বাস্থ্য-চিত্র উন্নয়নে প্রায় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ১৮টি কেন্সার হাস্পাতাল স্থাপন করবে বলে অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা জানিয়েছে। রাজ্যের উন্নয়নে, শিল্প বিকাশে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার সমঝােতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও কতজন শিল্পপতি অর্থ বিনিয়ােগ করবে তা ভবিষ্যতের প্রশ্ন। কেন্দ্রীয় সরকার ‘ইনভেষ্ট ইণ্ডিয়া’ নামে এক বিভাগ খুলেছে। বিনিয়ােগ করা শিল্পপতিদের সুযােগ সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচার বিবেচনা করা হয়। ‘অসম ইনভেষ্ট’ নামেও এক বিভাগ খুলে বিনিয়ােগকারী কোম্পানি গুলিকে কি ধরণের সুযােগ সুবিধা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে আলােচনা করবে বলে অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা জানান।
এ্যাডভান্টেজ আসাম : ২০২২ সালে নতুন ভারতের সংকল্প নিয়ে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখান মােদী
# অসমের প্ৰথম বিশ্ব বিনিয়ােগ সম্মেলন উদ্বোধন প্ৰধানমন্ত্ৰীর
# দেশ বিদেশের বিভিন্ন শিল্পপতি ৬৫ হাজার কোটি টাকার ১৭৬ টি সমঝােতা চুক্তিতে স্বাক্ষর
অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি :
পশ্চিবঙ্গের তৃণমূল নেতৃত্বাধীন মমতা ব্যনার্জি সরকার বিশ্ব শিল্প বিনিয়ােগ সন্মেলন আহ্বান করেছিলেন। সেই সন্মেলনকে কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় বয়কট করে। কোনও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। পক্ষান্তরে সর্বানন্দ সনােয়াল নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ‘এ্যাডভান্টেজ আসাম’ নামে বিশ্ব বিনিয়ােগ সম্মেলনে স্বয়ং প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰী মােদী উপস্থিত থেকে সম্মেলনের মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দিলেন।
দেশের শীর্ষ পর্যায়ের শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। গুয়াহাটি সরুসজাই ময়দানে প্রধানমন্ত্রী মােদী এই সম্মেলন উদ্বোধন করে সুধাকণ্ঠ ভূপেন হাজরিকার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তার তের বছর বয়সে লেখা এক কবিতা ‘অগ্নিযুগের ফিরিঙতি’ শীৰ্ষক কবিতাটির দুটি স্তবক উচ্চারণ করে কবিতাটি হিন্দী অনুবাদ করে শােনান। তিনি বলেন ২০২২ সালে নতুন ভারতের সংকল্প নিয়ে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখান। অসম প্ৰকৃতার্থে দক্ষিণ এশিয়ার এক্সপ্রেস ওয়ে।
অসমকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার চালিকা শক্তি বা ইঞ্জিন হয়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন বাংলাদেশ সরকার অসমে দূতাবাস খুলেছে ভুটান সরকারও দূতাবাস খুলেছে গত কাল। মুখ্য মন্ত্রী সর্বানন্দ সনােয়ালের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘সর্বানন্দ অসমের আনন্দ। রাজ্যে ভ্ৰষ্টাচার মুক্ত স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তােলার লক্ষ্যে সর্বানন্দ কাজ করছেন। উত্তর পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্যকে অষ্টলক্ষ্মী বলে উল্লেখ করে প্রধান মন্ত্রী মােদী বলেন এই অঞ্চলের উন্নয়ন মানে দেশের উন্নয়ন। ভারতে দুগুণ গতিতে সড়ক ও রেল পথ নির্মাণে কাজ চলছে সেই সঙ্গে বৈদ্যুতিকরণের কাজ চলছে।
এক্ট ইষ্ট নীতির অভিকেন্দ্র হচ্ছে উত্তর পূর্বাঞ্চল, আশিয়ান দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সংযােগ গড়ে তুলছে এই উত্তর পূর্বাঞ্চল। ত্রিপুরার সঙ্গে আখৌড়ার সংযােগ স্থাপন করে বাংলা দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়া হচ্ছে। গুয়াহাটী উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গুয়াহাটীকে স্মার্ট সিটি হিসাবে গড়া হচ্ছে।
গুয়াহাটীতে এইমস স্থাপনের জন্য ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গুয়াহাটী বরঝার বিমান বন্দরকে বিশ্ব পর্যায়ের টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে, উত্তর পূর্বাঞ্চলের পরিকাঠামাে উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ শতাংশ হারে অনুদান মঞ্জুর করবে। বিশ্ব পর্যায়ের সম্মেলনে ভিয়েতনাম, ম্যানমার, কাম্বােডিয়া, জাপান, লাওস, বাংলাদেশ, ভুটান, জাৰ্মানী, কোরিয়া, এবং ইজরাইল প্রভৃতি দেশের কয়েক হাজার প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করেছেন।
ভুটানের প্রধান মন্ত্রী শেরিং টবকেও অংশ গ্রহণ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্ৰী কিরেন রিজেজু, কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সুরেশ প্রভু, আইন মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ ছাড়াও রিলায়েন্স ইণ্ডাষ্ট্রিজের চেয়াৰমেন মুকেশ আম্বানি সহ দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। মুকেশ আম্বানি বলেন— অসমের সঙ্গে তার গভীর সুসম্পর্ক আছে, কামাখ্যা মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি রাজ্যের উন্নয়নে আত্ম নিয়ােগ করেছে। অসমে উন্নয়নে রিলায়েন্স ৫ হাজাৰ কোটি টাকা বিনিয়ােগ করেছে, রাজ্যে জিওর ৩০ লক্ষ গ্রাহক আছে। রিলায়েন্স কোম্পানি অসমে বিশ্ব মানের ফুটবল একাডেমি ছাড়াও জৈৱ-বৈচিত্র্যর সংরক্ষণের তাগিদে এক বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপন করবে। ভুটানের প্রধান মন্ত্রী শেরিং টবকে ভারতের সঙ্গে ভুটানের ৫০ বছরের সম্পর্ক শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন– ভুটানে সার্বিক উন্নয়নে ভারতের সহযােগিতা পাওয়া যাচ্ছে। ‘এ্যাণ্টেজ অসম’ মানেই ‘এ্যাড়ভাণ্টেজ ভুটান’ এমন মন্তব্য করেন প্রধান মন্ত্রী শেরিং টবকে। সেঞ্চুরী প্লাইবাের্ড কোম্পানি রাজ্যে হাজার কোটি টাকা বিনিয়ােগ করবে বলে জানান সেঞ্চুরী প্লাইবাের্ডের কৰ্ত্তা সজন ভজঙ্কর।
বাঁশকে শিল্প হিসাবে গণ্য করা হয়নি, গাছ হিসাবে ভেবে শুধুই ধ্বংস করা হয়েছেঃ প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদী
গুয়াহাটি : অসম দেশের মধ্যে বাঁশ অন্যতম বনজ সম্পদ। রাজ্যে ৭২৩৮ বর্গ কিমি জুড়ে বাঁশ বন আছে। প্রায় শত বছৰ থেকেৰাজ্যের দুই পার্বত্য জেলা কাৰ্বি আংলং এবং উত্তৰ কাছাৰ পাৰ্বত্য জেলা বর্তমানে ডিমা হাসাও বাঁশ সম্পদে সমৃদ্ধ। কিন্তু নির্দিষ্ট বাঁশ নীতি না থাকায় এই সম্পদকে ব্যৱহার যাচ্ছিল না। যথেচ্ছাচাৰ ভাৱে বাঁশ জঙ্গল কেটে ধ্বংস কৰা হচ্ছিল। উত্তর পূর্বাঞ্চলে এই সর্ব প্রথম বিশ্ব বিনিয়ােগ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদী এই অঞ্চলে বাঁশ সম্পদের ধ্বংসে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাঁশকে শিল্প হিসাবে গণ্য করা হয়নি, গাছ হিসাবে ভেবে শুধুই ধ্বংস করা হয়েছে। বাঁশ সম্পদকে শিল্প হিসাবে গণ্য করে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দিষ্ট ভাৱে ব্যান্ধু পলিসি গ্রহণ করেছে।
কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় ব্যান্ধু মিশন গড়ে তুলে ১৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, এত বছর উত্তর পূর্বাঞ্চল বাঁশ সম্পদকে শিল্প হিসাবে গ্রহণ না করে শুধু লােকসান করে গেছে। ‘এ্যভ্যাণ্টেজ অসম’ নাম দিয়ে অসমে সর্ব প্রথম বিশ্ব বিনিয়ােগ শিল্প সন্মেলন শুরু হয়েছে। এই সম্মেলনে রাজ্যেৰ জৈৱ-বৈচিত্র্য সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, বাঁশ সম্পদকে ব্যৱহার করার জন্য কয়েকটি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশের অন্যতম অগ্রণী সংস্থা পতঞ্জলীও রাজ্যের জৈৱ-বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়েছে।
দেশে ২২ হাজারের বেশি ঔষধি গুণ সম্পন্ন গাছ গাছরা আছে। তারমধ্যে অসমেই আছে ৭ হাজারের বেশি ঔষধি গুণ সম্পন্ন গাছ। এই ঔষধি গুণ সম্পন্ন গাছকে সদ্ব্যৱহারের জন্য পতঞ্জলী অসমে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়ােগ করবে। পতঞ্জলীর চিফ এক্সিকিউটিভ মেম্বাৰ বালা কৃষ্ণণ আজ এ কথা জানান। রিলায়েন্স কোম্পানির চেয়ারম্যন মুকেশ আম্বানী বলেন তিনি একজন প্রকৃতি প্রেমিক, অসমের জৈৱ বৈচিত্র্যের প্রতি তার টান আছে। অসমের পরিৱেশ প্রকৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবং ইকো টুরিজমকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এক বিশ্ব বিদ্যালয় গড়ে তুলবেন। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালেও অসমের বনজ সম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে বাঁশ সম্পদকে সদ্ব্যৱহারের কথা বলেছেন।

