Showing posts with label Business. Show all posts
Showing posts with label Business. Show all posts
আসছে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সেল

আসছে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সেল


‌ওয়েব সংবাদ:‌ ৭২তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুরু হচ্ছে ফ্লিপকার্টের বিশেষ সেল। এই সেল শুরু হবে ১০ আগস্ট থেকে। চলবে ৭২ ঘণ্টার জন্য, ১২ আগস্ট পর্যন্ত। যদিও কী কী ‘‌অফার’‌ দেওয়া হবে, সেটা এখনও জানানো হয়নি। তবে ফ্লিপকার্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের সেলে যে সমস্ত ‘‌অফার’‌ দেওয়া হবে, সেটা অতীতের সমস্ত অফারকে ছাপিয়ে যাবে। ছাড়ের পাশাপাশি দেওয়া হবে ‘‌ক্যাশব্যাক’‌ এবং ‘‌বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’‌–এর ‘‌অফার’‌–ও। সূত্রের খবর, সবথেকে বেশি ছাড় দেওয়া হবে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, টিভির মতো বৈদ্যুতিন পণ্যের ওপরে। পিছিয়ে নেই আর এক জনপ্রিয় ই–কমার্স ওয়েবসাইট ‘‌অ্যামাজন’‌–ও। তারাও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিশেষ সেল দেবে। তাদের সেলের সময়ও ওই একই। সবথেকে বেশি বিক্রি হতে পারে জিওমি, স্যামসাং, অ্যাপলের মতো সংস্থার মোবাইল ফোনগুলি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশাই সার, সুইস ব্যাঙ্কে ৫০ শতাংশ বাড়ল ভারতীয়দের টাকার পরিমাণ

প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশাই সার, সুইস ব্যাঙ্কে ৫০ শতাংশ বাড়ল ভারতীয়দের টাকার পরিমাণ


ওয়েব সংবাদ :‌ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিকবার বিদেশে গচ্ছিত কালো টাকা দেশে ফেরানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপির অন্যান্য নেতা–মন্ত্রীদের বক্তৃতাতেও। কিন্তু সেসবই যে শুধু কথার কথা, আবারও তা প্রমাণিত হল। সম্প্রতি সুইস ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৬ সালে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ যেখানে ছিল ৪৫০০ কোটি টাকা। সেখানে ২০১৭ সালে জমা টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০০ কোটি সুইস ফ্রাঁ অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭০০০ কোটি টাকা‌। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ওই বছরে সুইস ব্যাঙ্কে মোট জমা টাকার পরিমাণ কিন্তু বেড়েছে মাত্র ৩ শতাংশ।
১৯৮৭ সাল থেকেই এই রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে সুইস ব্যাঙ্ক। আর ২০১৬ সালে ভারতীয়দের জমা টাকার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে কম। কিন্তু হঠাৎ করে কীভাবে সেই জমা টাকার পরিমাণ বেড়ে গেল?‌ তাই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এর আগে ২০০৬ সালে ভারতীয়রা সবচেয়ে বেশি টাকা জমা রেখেছিল সুইস ব্যাঙ্কে। যার পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে সেই টাকার পরিমাণ। কিন্তু আবারও সেটা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিন্তিত কেন্দ্রীয়। এদিকে এই খবর সামনে আসার পরই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূশ গোয়েল। জানিয়েছেন ২০১৯ সালের মধ্যে সুইস ব্যাঙ্কে রাখা সমস্ত কালো টাকা উদ্ধার করবে কেন্দ্র। তিনি বলেন, ‘নয়া চুক্তি অনুযায়ী ২০১৮ সালের পরই যাবতীয় কালো টাকা সংক্রান্ত তথ্য ভারত সরকারের হাতে তুলে দেবে সুইস ব্যাঙ্ক। যাঁদের দোষ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’‌
অনগ্রসর অসমে ৬৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়ােগ, রাজ্যে সরকারের উচ্ছাস প্রকাশ

অনগ্রসর অসমে ৬৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়ােগ, রাজ্যে সরকারের উচ্ছাস প্রকাশ

ব্ৰহ্মপুত্রবরাক নদীতে সি প্লেন, রিভার ট্যাক্সি চলবে 

অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : 
সৰ্বানন্দ সনােয়াল নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট সরকার দিশপুরে ক্ষমতাসীন হয়েই অসমকে সার্বিকভাৱে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে নিরলসভাৱে চেষ্টা চালিয়ে গেছে, তারই ফলশ্রুতি ‘অ্যাভান্টেজ অসম’– বিশ্ব শিল্প বিনিয়ােগ সন্মেলন। পশ্চাদপদ, অনগ্রসর অসম তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত করার এই প্রথম সুযােগ এল। তার পুরাে কৃতিত্ব দাবী করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী সৰ্বানন্দ সনােয়াল, অৱশ্যই সৌজন্যে প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদি দুদিন ব্যাপী বিশ্ব বিনিয়ােগ শিল্প সন্মেলন ব্যাপক ভাবে সফলতা লাভ করেছে। দুদিনে দেশ বিদেশের অগ্ৰনী শিল্পপতিরা অসমের প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ প্রকাশ করে কোটি কোটি টাকা বিনিয়ােগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দুদিনে প্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকার ১৭০টি সমঝােতা চুক্তি (মৌ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রীরা আজ সমঝােতা চুক্তির বহর দেখে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন। 
এই প্রথম অসমের বাঁশ সম্পদকে শিল্প হিসাবে গণ্য করে কয়েকটি সংস্থা কয়েক শ কোটি টাকার ৪টি সমঝােতা চুক্তি করেছে বলে জানালেন বনমন্ত্রী প্রমিলা রাণী ব্ৰহ্ম। স্পাইস জেট কোম্পানী ব্রহ্মপুত্র নদে সি প্লেন চালাবার সিদ্ধান্ত ঘােষণা করেছে, জলে-স্থলে চলবে এই প্লেন। লণ্ডনের মেরিন টাইম নামে এক কোম্পানীও ব্রহ্মপুত্র নদে রিভার ট্যাক্সি চালাবার কথা আজ ঘােষণা করেছে। রিভাৰ ট্যাক্সিও জলে স্থলে চলবে এমনকি রাত্রেও চালানাে যাবে বলে কোম্পানীটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। উভচর জলযান চালানাে হলে বরাক-ব্ৰহ্মপুত্ৰ নদী সদ্ব্যৱহার হবে। 
কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ গুয়াহাটী উপকণ্ঠ পলাশবাড়ীকে টেকনােসিটি হিসাবে গড়ে তােলার সিদ্ধান্ত ঘােষণা করেছেন৷ তিনি জানান— এই টেকনােসিটি নির্মাণের জন্যে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। কেন্দ্ৰীয় মন্ত্রী জানান শিলচর, ডিফু, কোকারাঝাড়, মাজুলি এবং নগাঁওতে বি পি ও স্থাপন করা হবে।


বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ৪ হাজার কোটি টাকার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। অসম থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ কিনবে, এবং বাংলাদেশ সরকার অসমে জামদানী শাড়ী, শুকনাে মাছ, রাসায়নিক সার এবং প্লাষ্টিক সামগ্রী পাঠাবে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে অসমের সংযােগ স্থাপন করে জাহাজ চালানােরাে বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানালেন গুয়াহাটীস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনার কাজী মােস্তাসির মুৰ্শেদ৷ তিনি জানান, ভুটান সরকারের সঙ্গেও এক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে বাংলাদেশের কাছ থেকে ভুটান সরকার ঔষধ আমদানী করবে। 
জলসম্পদ মন্ত্রী কেশৱ মহন্ত জানান আই টি সেক্টরে প্রায় হাজার কোটি টাকার ৩২ টি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। পরিবহন বিভাগের উন্নয়নের লক্ষ্যে কয়েকটি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। পর্যটন নিগমের চেয়ারম্যন জয়ন্ত মল্ল বরুয়া জানান— কাজিৰঙা রাষ্ট্ৰীয় উদ্যানকে ‘আইকোনিক প্লেস’ হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে, যা এক বিরল সম্মান। 
টাটা কোম্পানি অসমের স্বাস্থ্য-চিত্র উন্নয়নে প্রায় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ১৮টি কেন্সার হাস্পাতাল স্থাপন করবে বলে অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা জানিয়েছে। রাজ্যের উন্নয়নে, শিল্প বিকাশে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার সমঝােতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও কতজন শিল্পপতি অর্থ বিনিয়ােগ করবে তা ভবিষ্যতের প্রশ্ন। কেন্দ্রীয় সরকার ‘ইনভেষ্ট ইণ্ডিয়া’ নামে এক বিভাগ খুলেছে। বিনিয়ােগ করা শিল্পপতিদের সুযােগ সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিচার বিবেচনা করা হয়। ‘অসম ইনভেষ্ট’ নামেও এক বিভাগ খুলে বিনিয়ােগকারী কোম্পানি গুলিকে কি ধরণের সুযােগ সুবিধা দেওয়া যায় সে ব্যাপারে আলােচনা করবে বলে অর্থ মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা জানান।
এ্যাডভান্টেজ আসাম : ২০২২ সালে নতুন ভারতের সংকল্প নিয়ে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখান মােদী

এ্যাডভান্টেজ আসাম : ২০২২ সালে নতুন ভারতের সংকল্প নিয়ে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখান মােদী

# অসমের প্ৰথম বিশ্ব বিনিয়ােগ সম্মেলন উদ্বোধন প্ৰধানমন্ত্ৰীর 
# দেশ বিদেশের বিভিন্ন শিল্পপতি ৬৫ হাজার কোটি টাকার ১৭৬ টি সমঝােতা চুক্তিতে স্বাক্ষর 


অমল গুপ্ত, গুয়াহাটি : 
পশ্চিবঙ্গের তৃণমূল নেতৃত্বাধীন মমতা ব্যনার্জি সরকার বিশ্ব শিল্প বিনিয়ােগ সন্মেলন আহ্বান করেছিলেন। সেই সন্মেলনকে কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় বয়কট করে। কোনও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। পক্ষান্তরে সর্বানন্দ সনােয়াল নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ‘এ্যাডভান্টেজ আসাম’ নামে বিশ্ব বিনিয়ােগ সম্মেলনে স্বয়ং প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰী মােদী উপস্থিত থেকে সম্মেলনের মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দিলেন। 
দেশের শীর্ষ পর্যায়ের শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। গুয়াহাটি সরুসজাই ময়দানে প্রধানমন্ত্রী মােদী এই সম্মেলন উদ্বোধন করে সুধাকণ্ঠ ভূপেন হাজরিকার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তার তের বছর বয়সে লেখা এক কবিতা ‘অগ্নিযুগের ফিরিঙতি’ শীৰ্ষক কবিতাটির দুটি স্তবক উচ্চারণ করে কবিতাটি হিন্দী অনুবাদ করে শােনান। তিনি বলেন ২০২২ সালে নতুন ভারতের সংকল্প নিয়ে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখান। অসম প্ৰকৃতার্থে দক্ষিণ এশিয়ার এক্সপ্রেস ওয়ে। 
অসমকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার চালিকা শক্তি বা ইঞ্জিন হয়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন বাংলাদেশ সরকার অসমে দূতাবাস খুলেছে ভুটান সরকারও দূতাবাস খুলেছে গত কাল। মুখ্য মন্ত্রী সর্বানন্দ সনােয়ালের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘সর্বানন্দ অসমের আনন্দ। রাজ্যে ভ্ৰষ্টাচার মুক্ত স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তােলার লক্ষ্যে সর্বানন্দ কাজ করছেন। উত্তর পূর্বাঞ্চলের আটটি রাজ্যকে অষ্টলক্ষ্মী বলে উল্লেখ করে প্রধান মন্ত্রী মােদী বলেন এই অঞ্চলের উন্নয়ন মানে দেশের উন্নয়ন। ভারতে দুগুণ গতিতে সড়ক ও রেল পথ নির্মাণে কাজ চলছে সেই সঙ্গে বৈদ্যুতিকরণের কাজ চলছে। 
এক্ট ইষ্ট নীতির অভিকেন্দ্র হচ্ছে উত্তর পূর্বাঞ্চল, আশিয়ান দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সংযােগ গড়ে তুলছে এই উত্তর পূর্বাঞ্চল। ত্রিপুরার সঙ্গে আখৌড়ার সংযােগ স্থাপন করে বাংলা দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়া হচ্ছে। গুয়াহাটী উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গুয়াহাটীকে স্মার্ট সিটি হিসাবে গড়া হচ্ছে। 
গুয়াহাটীতে এইমস স্থাপনের জন্য ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গুয়াহাটী বরঝার বিমান বন্দরকে বিশ্ব পর্যায়ের টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে, উত্তর পূর্বাঞ্চলের পরিকাঠামাে উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ শতাংশ হারে অনুদান মঞ্জুর করবে। বিশ্ব পর্যায়ের সম্মেলনে ভিয়েতনাম, ম্যানমার, কাম্বােডিয়া, জাপান, লাওস, বাংলাদেশ, ভুটান, জাৰ্মানী, কোরিয়া, এবং ইজরাইল প্রভৃতি দেশের কয়েক হাজার প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করেছেন। 


ভুটানের প্রধান মন্ত্রী শেরিং টবকেও অংশ গ্রহণ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্ৰী কিরেন রিজেজু, কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সুরেশ প্রভু, আইন মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ ছাড়াও রিলায়েন্স ইণ্ডাষ্ট্রিজের চেয়াৰমেন মুকেশ আম্বানি সহ দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন। মুকেশ আম্বানি বলেন— অসমের সঙ্গে তার গভীর সুসম্পর্ক আছে, কামাখ্যা মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি রাজ্যের উন্নয়নে আত্ম নিয়ােগ করেছে। অসমে উন্নয়নে রিলায়েন্স ৫ হাজাৰ কোটি টাকা বিনিয়ােগ করেছে, রাজ্যে জিওর ৩০ লক্ষ গ্রাহক আছে। রিলায়েন্স কোম্পানি অসমে বিশ্ব মানের ফুটবল একাডেমি ছাড়াও জৈৱ-বৈচিত্র্যর সংরক্ষণের তাগিদে এক বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপন করবে। ভুটানের প্রধান মন্ত্রী শেরিং টবকে ভারতের সঙ্গে ভুটানের ৫০ বছরের সম্পর্ক শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন– ভুটানে সার্বিক উন্নয়নে ভারতের সহযােগিতা পাওয়া যাচ্ছে। ‘এ্যাণ্টেজ অসম’ মানেই ‘এ্যাড়ভাণ্টেজ ভুটান’ এমন মন্তব্য করেন প্রধান মন্ত্রী শেরিং টবকে। সেঞ্চুরী প্লাইবাের্ড কোম্পানি রাজ্যে হাজার কোটি টাকা বিনিয়ােগ করবে বলে জানান সেঞ্চুরী প্লাইবাের্ডের কৰ্ত্তা সজন ভজঙ্কর। 
পতঞ্জলীর সি ই অ আচার্য বালা কৃষ্ণণ অসমে ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়ােগ করবে বলে জানান তাছাড়া ১৫ টি জেলায় কেন্সার হাস্পাতাল স্থাপন করবে। মেকলয়েড রাশেল কোম্পানির পক্ষে আদিত্য খৈতান ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়ােগের কথা জানান। স্পাইস জেটের এম ডি অজয় সিং, ব্রহ্মপুত্র নদে সি-প্লেন চালাবার প্রতিশ্রুতি দেন। অসমে খাদ্য সংরক্ষণ, জল সরবরাহ, পথ যােগাযােগ প্রভৃতির ক্ষেত্রে অর্থ বিনিয়ােগের প্রতিশ্রুতি দেন। জাপানের রাষ্ট্রদূত কেঞ্জি হিরামটসুর। টাটা গ্রুপের প্রতিনিধি নটরাজন চন্দ্রশেখরণ অসমের উন্নয়নে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান। গুয়াহাটীতে উপস্থিত পরিচালক ও প্রযােজক সুবাশ ঘাই রাজ্যে ফ্লিম ইনিষ্টিটিউট স্থাপন করার চেষ্টা করা হবে বলে জানান। মনিপুরের মুখ্য মন্ত্রী এন বীরেন সিং, নাগালেণ্ডের সাংসদ নেইফিউ রিও প্রমুখ উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনােয়াল, অর্থ মন্ত্ৰী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা, শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রী চন্দ্রমােহন পাটোয়ারী দেশ বিদেশের অতিথি অভ্যগতদের সাদর সম্ভাষণ জানান। শেষ পর্যন্ত দেশ বিদেশের বিভিন্ন শিল্পপতি ৬৫ হাজার কোটি টাকার ১৭৬ টি সমঝােতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। গতকাল ইমুখ্য মন্ত্রী সর্বানন্দ সনােয়াল ৬৫ তলা বিশিষ্ট বিশাল এক ভৱনে শিলান্যাস । করেন, এই ব্যপারে এন বি সি সির সঙ্গে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই বিশাল ভৱনে দশটি আশিয়ান রাষ্ট্রের দূতাবাস থাকবে।
বাঁশকে শিল্প হিসাবে গণ্য করা হয়নি, গাছ হিসাবে ভেবে শুধুই ধ্বংস করা হয়েছেঃ প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদী

বাঁশকে শিল্প হিসাবে গণ্য করা হয়নি, গাছ হিসাবে ভেবে শুধুই ধ্বংস করা হয়েছেঃ প্রধান মন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদী

গুয়াহাটি : অসম দেশের মধ্যে বাঁশ অন্যতম বনজ সম্পদ। রাজ্যে ৭২৩৮ বর্গ কিমি জুড়ে বাঁশ বন আছে। প্রায় শত বছৰ থেকেৰাজ্যের দুই পার্বত্য জেলা কাৰ্বি আংলং এবং উত্তৰ কাছাৰ পাৰ্বত্য জেলা বর্তমানে ডিমা হাসাও বাঁশ সম্পদে সমৃদ্ধ। কিন্তু নির্দিষ্ট বাঁশ নীতি না থাকায় এই সম্পদকে ব্যৱহার যাচ্ছিল না। যথেচ্ছাচাৰ ভাৱে বাঁশ জঙ্গল কেটে ধ্বংস কৰা হচ্ছিল। উত্তর পূর্বাঞ্চলে এই সর্ব প্রথম বিশ্ব বিনিয়ােগ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰ মােদী এই অঞ্চলে বাঁশ সম্পদের ধ্বংসে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাঁশকে শিল্প হিসাবে গণ্য করা হয়নি, গাছ হিসাবে ভেবে শুধুই ধ্বংস করা হয়েছে। বাঁশ সম্পদকে শিল্প হিসাবে গণ্য করে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দিষ্ট ভাৱে ব্যান্ধু পলিসি গ্রহণ করেছে। 
কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় ব্যান্ধু মিশন গড়ে তুলে ১৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, এত বছর উত্তর পূর্বাঞ্চল বাঁশ সম্পদকে শিল্প হিসাবে গ্রহণ না করে শুধু লােকসান করে গেছে। ‘এ্যভ্যাণ্টেজ অসম’ নাম দিয়ে অসমে সর্ব প্রথম বিশ্ব বিনিয়ােগ শিল্প সন্মেলন শুরু হয়েছে। এই সম্মেলনে রাজ্যেৰ জৈৱ-বৈচিত্র্য সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, বাঁশ সম্পদকে ব্যৱহার করার জন্য কয়েকটি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশের অন্যতম অগ্রণী সংস্থা পতঞ্জলীও রাজ্যের জৈৱ-বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়েছে। 
দেশে ২২ হাজারের বেশি ঔষধি গুণ সম্পন্ন গাছ গাছরা আছে। তারমধ্যে অসমেই আছে ৭ হাজারের বেশি ঔষধি গুণ সম্পন্ন গাছ। এই ঔষধি গুণ সম্পন্ন গাছকে সদ্ব্যৱহারের জন্য পতঞ্জলী অসমে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়ােগ করবে। পতঞ্জলীর চিফ এক্সিকিউটিভ মেম্বাৰ বালা কৃষ্ণণ আজ এ কথা জানান। রিলায়েন্স কোম্পানির চেয়ারম্যন মুকেশ আম্বানী বলেন তিনি একজন প্রকৃতি প্রেমিক, অসমের জৈৱ বৈচিত্র্যের প্রতি তার টান আছে। অসমের পরিৱেশ প্রকৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবং ইকো টুরিজমকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এক বিশ্ব বিদ্যালয় গড়ে তুলবেন। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালেও অসমের বনজ সম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে বাঁশ সম্পদকে সদ্ব্যৱহারের কথা বলেছেন।
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আধার যোগ বাধ্যতামূলক: ‌আরবিআই

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আধার যোগ বাধ্যতামূলক: ‌আরবিআই

ওয়েব সংবাদ : ‌ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক বলে জানিয়ে দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তথ্য জানার অধিকার আইনে (‌আরটিআই)‌ পেশ হওয়া এক আবেদনের জবাব উদ্ধৃত করে মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছিল, আধার কার্ডের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত করতে হবে, এ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশ আরবিআই এখনও পর্যন্ত জারি করেনি। কিন্তু শনিবার সেই মিডিয়া রিপোর্টকে খারিজ করে আরবিআই জানিয়ে দিল, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট–আধার যোগ বাধ্যতামূলক। 
 আরবিআই আরও স্পষ্ট করে জানায়, অবৈধ আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ এবং দ্বিতীয় সংশোধনী ২০১৭ অনুযায়ী আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক হয়েছে। এই নিয়ম নিয়ে যাতে কোনও সংশয় না থাকে তাই আরবিআই অন্য ব্যাঙ্কগুলিকেও তা যত শীঘ্র সম্ভব কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসেই নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা ও ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে আধারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে কেন্দ্র সরকার। 
সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আরবিআই জানায়, এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত গ্রাহকদের ব্যাঙ্কে আধার নম্বর জমা দিতে হবে। নতুবা তাঁর অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। একাধিক প্যানকার্ড ব্যবহার করে কর ফাঁকি এড়াতে ২০১৭ সালের সাধারণ বাজেটে আধার নম্বর প্যানের সঙ্গে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এমনকী মোবাইল নম্বরের সঙ্গেও আধার কার্ড সংযোগ করা এখন বাধ্যতামূলক।
গুয়াহাটিতে বিশ্ব শিল্প বিনিয়োগ মহাসন্মেলন উদ্বোধন করবেন প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদী

গুয়াহাটিতে বিশ্ব শিল্প বিনিয়োগ মহাসন্মেলন উদ্বোধন করবেন প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদী

# রাজ্যে ১৬০ বর্গকিলোমিটার এলেকায় স্থাপন হবে শিল্পজোন 
# বাইরের শিল্পপতিরা জমি পাবে ৫০ শতাংশ ভরতুকিতে 

গুয়াহাটি : রাজ্যে শিল্পোদ্যোগ বিকাশের লক্ষ্যে আগামি ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব শিল্প বিনিয়োগ মহা সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।এই বিশ্ব শিল্প বিনিয়োগ মহাসন্মেলন উদ্বোধন করবেন প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্ৰমোদী৷ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিল্পোদ্যোগ-কোম্পানি এই সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করবে। 
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি আগামি তিন-চার ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে। এই বিশ্ব শিল্প সন্মেলন সফল হ’লে রাজ্যে কর্মসংস্থানের পথ সুগম হবে। রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতিও ভাল হবে। মঙ্গলবার মন্ত্রীসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলির কথা জানিয়ে এই বিশ্ব সন্মেলন সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন— কেবিনেট কমিটির বৈঠকে শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা আগে কখনও হয়নি। স্থানীয় ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলিকে বাঁচানাের লক্ষ্যে বহিরাগত শিল্পোদ্যোগগুলোকে অন্ততঃ ২৫ শতাংশ কাঁচা মাল স্থানীয় ক্ষুদ্র মাঝারি শিল্পোদ্যোগগুলির কাছ থেকে ক্রয় করতেই হবে। স্থানীয় ক্ষুদ্র শিল্পোদ্যোগগুলির রক্ষাকবজের স্বার্থে ২০১৫ সালের শিল্পনীতি সংশোধনী ঘটানো হয়েছে। রাজ্যে কেউ যদি আই টি সেন্টার, কল সেন্টার, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করে শিল্প স্থাপন কবতে চাই, তবে তাদেরকে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্য, জমি ক্ৰয়ের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ ভরতুকি দেবে। 
মুখ্যমন্ত্রীর মিডিয়া এ্যডভাইসর ঋষিকেশ গোস্বামী প্রমুখদের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী পাটােয়ারি জানান, হ্যাণ্ডলুম, বায়ােটেক, পর্যটন প্রভৃতি নীতি গ্রহণ করা হয়। ষ্টাৰ্ট আপ পলিসির লক্ষ্যে ডিজিটেল ব্যৱস্থা যথাযথ রূপায়নের জন্য দেশের সফল ডিজিটেল ব্যৱস্থার রাজ্য তেলেঙ্গানার সঙ্গে রাজ্য সরকার এক সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। রাজ্যে ১৬০ বর্গ কিলোমিটার এলেকা জুড়ে এক ইণ্ডাসট্রিয়াল জোন গঠন করা হবে। বাইরের কোনও শিল্পপতি রাজ্যে শিল্প স্থাপন করতে গেলে ল্যাণ্ডবেংকের মাধ্যমে জমি দেওয়া হবে। ৫০ শতাংশ ভরতুকি মূল্যে জমি দেওয়া হবে। রাজ্যে চিনি কল স্থাপনেৰ লক্ষ্যে বাইরের দুটি কোম্পানি কোঠারি এবং উত্তম সুগার কোম্পানির সঙ্গে সরকার সমঝোতা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী একটি সুগার কোম্পানি ৩০ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে ব্যবসা করতে পারবে। সেই এলেকাই অন্য কোনও সুগারমিল কোম্পানি ব্যবসা করতে পারবে না।
 রাজ্যে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে জাপানি ভাষা শিক্ষার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী জানান তার সঙ্গে এক জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধির আলোচনা হয়েছে। সেই প্রতিনিধি দল রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুৱতীদের ছয় মাসের মধ্যে জাপানি ভাষা শিখিয়ে দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় জাপানি কোম্পানি গুলিতে নিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।এদিকে মন্ত্ৰী প্ৰতিশ্ৰুতি দিয়েছেন, সরকার কেন্দ্ৰীয় সরকারের ডিজিটেল নীতি পুরোপুরিভাবে গ্ৰহণ করে প্ৰতিটি ঘরে ব্ৰডবেন্ড সংযোগের ব্যবস্থা করবে৷
২৭১ কোটি লোকসান জিও–র

২৭১ কোটি লোকসান জিও–র


অফারে অফারে বাজার গরম করেই চলেছে জিও। প্রতিযোগীদের ঘুম কেড়ে নিয়ে মোটেই ভাল নেই মুকেশ আম্বানির সংস্থা। কারণ নিজেই যে লোকসানে চলছে!‌ সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে আর্থিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রিলায়েন্স। দেখা যাচ্ছে, প্রায় ২৭১ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে তাদের। জিও–র মোট আয়ের পরিমান ৬, ১৪৭ কোটি টাকা। আরও গ্রাহক যুক্ত হলে পরিষেবার খরচ কমবে। আর তখনই লাভ হবে বলে সংস্থা জানিয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে জিও শুরু হওয়ার পরে এই প্রথম লাভ–ক্ষতির হিসেব প্রকাশ করল জিও। সংস্থার দাবি, তাদের গ্রাহক ১৩ কোটি ৮৬ লক্ষ ছুঁয়েছে। এর মধ্যে দেড় কোটি যুক্ত হয়েছে শেষ ত্রৈমাসিকে। গত তিনমাসে ৩৭৮ কোটি জিবি ডেটা ব্যবহার করেছেন জিও–র গ্রাহকরা। প্রতিদিন ২৬৭ কোটি মিনিট করে কথা বলেছেন তাঁরা।
‌জিওর নতুন ধামাকা অফার

‌জিওর নতুন ধামাকা অফার



দিপাবলী উপলক্ষে নতুন অফার আনল জিও। এবার ৩৯৯ টাকার রিচার্জে ১০০ শতাংশ ক্যাশব্যাকের সুবিধা দিতে চলেছে এই সংস্থা। সংস্থার তরফে নতুন অফার ঘোষণা করে বলা হয়েছে, ৩৯৯ টাকার রিজার্চ করলেন, আপনাকে মোট আটটি ৫০ টাকার আলাদা আলাদা ভাউচার দেওয়া হবে। সেই ভাউচারগুলি একসঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন না গ্রাহক। তবে পরে একাধিক রিচার্জের ক্ষেত্রে এই ভাউচার ব্যবহার করা যাবে। যদিও, এই অফার পাওয়া যাবে কয়েকদিনের জন্যেই। আজ, মানে ১২ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই অফার পাবেন সাধারণ গ্রাহকরা। অফারের বিষয়ে আরও বুঝিয়ে বলতে একটি উদাহরণও এক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়। ৩৯৯ টাকা রিচার্জে যে ভাউচার গ্রাহক পাবেন, সেই ভাউচার যদি তিনি পরের ৩০৯ টাকার রিচার্জের জন্য ব্যবহার করেন, তাহলে অন্টারনেটের মাধ্যমে তাঁকে দিতে হবে ২৫৯ টাকা।
টাটাদের টেলিকম ব্যবসা বিক্রি করেছে এয়ারটেলকে?‌

টাটাদের টেলিকম ব্যবসা বিক্রি করেছে এয়ারটেলকে?‌



এয়ারটেলকে তাদের লোকসানে চলা টেলিকম ব্যবসা বিক্রি করে দিতে চলেছে টাটা গোষ্ঠী। চারমাস ধরে আলোচনার পরে এয়ারটেল টাটা টেলিসার্ভিসেস কিনে নিতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। এরফলে চার কোটি গ্রাহক পাবে এয়ারটেল। টাটা টেলি সার্ভিসেসের ১০ হাজার কোটি টাকার স্পেকট্রাম বোঝাও নিচ্ছে এয়ারটেল। এখন ১৯ সার্কেলে ১৮০ মেগাহার্জৎ–এর ৮০০, ১৮০০, ২১০০ এমএইচজেড (‌৩ জি এবং ৪ জি)‌ ব্যবসা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী টাটাদের অপটিক্যাল ফাইবারের স্বত্বও ব্যবহার করতে পারবে এয়ারটেল। বাজার বিশেজ্ঞরা বলছেন, দুই সংস্থা টেলি সার্ভিসেস ব্যবসার মাধ্যমে কাছে আসছে। ভবিষ্যতে ডিটিএইচ, বিদেশে কেবল এবং অন্যান্য ব্যবসা নিয়েও সমঝোতা করতে পারে তারা। টাটা সন্সের নতুন চেয়ারম্যান টাটা গোষ্ঠীকে ভারমুক্ত করবেন বলে দায়িত্ব নিয়েছেন। সেদিক থেকে লোকসানে চলা টেলিসার্ভিস বিক্রি করাকে বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে। গোল্ডম্যান স্যাকস এই চুক্তির মধ্যস্থতা করেছে।
আবাসনকেও জিএসটি–র আওতায় চাইছেন জেটলি

আবাসনকেও জিএসটি–র আওতায় চাইছেন জেটলি



আবাসন শিল্পকে জিএসটি–র অধীনে আনা হবে বলে ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। আগামী মাসে গুয়াহাটিতে জিএসটি পরিষদের পরবর্তী বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, রিয়েল এস্টেট শিল্পেই সবচেয়ে কর ফাঁকির ঘটনা সামনে এসেছে। এই ক্ষেত্রেরই সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি ঘটছে। তাই জিএসটি–র আওতায় আনলে ক্রেতারা উপকৃত হবেন। কারণ তাঁদের একবারই কর দিতে হবে। জেটলি জানিয়েছেন, বেশ কিছু রাজ্য আবাসনকে জিএসটি–র আওতায় আনার দাবি করেছে। অনেক রাজ্য আবার এর বিরোধী। জেটলির দাবি, জিএসটি চালু হলে আবাসনে এখনকার তুলনায় কর প্রায় কিছুই দিতে হবে না। ক্রেতারাও করের আওতায় চলে আসবেন। ‘‌ছায়া অর্থনীতি’‌র প্রকোপ মুক্ত হবে দেশ।